বাড়িতে অনেক ট্রফি নিয়ে এসেছি, কিন্তু এটি বিশেষ: হ্যারি কেইন

৭০ বছর আগে ব্যালন ডি’অরের প্রথম আসরে ট্রফিটি উঠেছিল ইংলিশ কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউসের হাতে। সেই স্মৃতির স্মরণে এবারের ব্যালন ডি’অরের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল লন্ডনে। এবারও মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি উঠেছে আরেক ইংলিশ ফুটবলারের হাতে। বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন জিতেছেন ২০২৬ এর ব্যালন ডি’অর। 

ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক ও টটেনহ্যামের সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে নিজের ‘ঘরের শহর’ লন্ডনেই এই পুরস্কার জিতলেন কেইন। প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জয় করলেন তিনি। কয়েক দিনের টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর বার্সেলোনার লামিন ইয়ামাল ও রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলেন কেইন।

১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া কেইনের হাত ধরে ব্যালন ডি’অরে ইংলিশদের ২৫ বছরের খরা কাটল। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর প্রথমবার ইংল্যান্ডের কোনো ফুটবলারের হাতে উঠল ফ্রান্স ফুটবলের দেয়া এই পুরস্কার। গত বছরের বিজয়ী পিএসজির স্ট্রাইকার উসমান দেম্বেলের উত্তরসূরি হলেন কেইন। 

ব্যালন ডি’অর গ্রহণ করতে মঞ্চে উঠে আবেগঘন বক্তব্যে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন কেইন।

তিনি বলেন, 'আমি প্রায় ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। লন্ডনে এই পুরস্কার জয় করায় মুহূর্তটি আমার কাছে আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে। বিচারকদের জন্য ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কঠিন ছিল, তা আমি কল্পনা করতে পারি। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ। আমার বায়ার্ন সতীর্থদেরও ধন্যবাদ, তোমরা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছ এবং আরও ভালো খেলোয়াড় হতে সাহায্য করেছ।'

নিজের সাবেক ক্লাবকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই ইংলিশ, 'টটেনহ্যামকেও ধন্যবাদ দিতে চাই। টটেনহ্যাম ছাড়া আমি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারতাম না। যারা বিশ্বের সেরা হওয়ার স্বপ্ন দেখে, আমি আশা করি তাদের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠতে পারব; যেমনটা আজ আমি হয়েছি।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার সন্তানদের বলতে চাই, আমি বাড়িতে অনেক ট্রফি নিয়ে এসেছি, কিন্তু এটি বিশেষ। আমি একজন ভালো পেশাদার ফুটবলার হওয়ার পাশাপাশি ভালো বাবাও হতে চাই। আর আমার স্ত্রী, আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধুকে ধন্যবাদ। তুমি আমার চেয়েও বেশি এই পুরস্কারটি চেয়েছিলে। আমার স্বপ্ন পূরণে তুমি আমাকে সাহায্য করেছ।' 


Post a Comment

Previous Post Next Post